মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকায় ব্যবসায়িক ভ্রমণে খরচ ১৮ বিলিয়ন ডলার

চলতি বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকায় (এমইএনএ) ব্যবসায়িক ভ্রমণের আকার ১৮ বিলিয়ন বা ১ হাজার ৮০০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে।

চলতি বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকায় (এমইএনএ) ব্যবসায়িক ভ্রমণের আকার ১৮ বিলিয়ন বা ১ হাজার ৮০০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। শক্তিশালী অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও ডিজিটাল উদ্ভাবনের কারণে অঞ্চলটিতে খাতটির প্রবৃদ্ধি বৈশ্বিক গড়ের চেয়ে দ্রুত হচ্ছে। খালিজ টাইমস।

সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক অনলাইন ট্রাভেল প্লাটফর্ম টুমোডোর প্রতিবেদনে দেখা গেছে, জুনে শেষ হওয়া বছরের প্রথমার্ধে এমইএনএ অঞ্চলে ব্যবসায়িক ভ্রমণ খাতের প্রবৃদ্ধি ছিল ৬ দশমিক ১ শতাংশ। গত বছরের শেষ দিকের তুলনায় করপোরেট ফ্লাইট ও হোটেল বুকিং ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে খাতটি ২৭ হাজার ৮০ কোটি ডলারে পৌঁছতে পারে। গত রমজানের পর এপ্রিল ও মে মাসে ভ্রমণের সংখ্যা ছিল সর্বাধিক।

চলতি বছরের প্রথমার্ধে মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা অঞ্চল থেকে ব্যবসায়িক ভ্রমণের সবচেয়ে জনপ্রিয় গন্তব্য ছিল সৌদি আরব, যা মোট ভ্রমণের ২০ শতাংশ। এরপর ছিল যুক্তরাজ্য (১৫ শতাংশ), ফ্রান্স ও ভারত (১০ শতাংশ করে) এবং ওমান (৫ শতাংশ)।

এয়ারলাইনস সংস্থার মধ্যে সবচেয়ে বেশি যাত্রী পেয়েছে এমিরেটস, টার্কিশ এয়ারলাইনস ও কাতার এয়ারওয়েজ। কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, এসব সংস্থা ব্যবসায়িক ভ্রমণের জন্য মানসম্মত পরিষেবা ও নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করে। গন্তব্য হিসেবে ভারত সবচেয়ে সাশ্রয়ী ও যুক্তরাজ্য সবচেয়ে ব্যয়বহুল হিসেবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ব্যবসায়িক ভ্রমণের ক্ষেত্রে দুবাই এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রাভেল হাব হিসেবে পরিচিত। রিয়াদ, লন্ডন ও গুয়াংজুর মতো শহরে নিয়মিত ফ্লাইট থাকায় শহরটির গুরুত্ব আরো বেড়েছে। এছাড়া ভিসা সাপোর্ট ১৫ শতাংশ, গ্রাউন্ড ট্রান্সফার ১১ ও করপোরেট ইভেন্ট বুকিং ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ বেড়েছে।

চলতি বছরের প্রথমার্ধে ভ্রমণের গড় সময় দুদিন হলেও বিলাসবহুল হোটেলের চাহিদা বেড়েছে। সামগ্রিক চাহিদায় ৪ ও ৫ তারকা মানের হোটেল বুকিং ছিল ৭৫ শতাংশের বেশি। ব্যবসা সফরের পাশাপাশি অবকাশ যাপন বা ব্লেজার ট্রাভেলের প্রবণতাও বেড়েছে।

আরও